Posts

Showing posts with the label History
Image
শৈশবে, সত্যজিৎ একখানা খাতা করেছিলেন। সই জমানোই ছিল সেই খাতার উদ্দেশ্য। প্রথম সইটা রবিবাবুর হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে হয় তাঁর। মায়ের সঙ্গে মানিক অর্থাৎ আমাদের শিশু সত্যজিৎ পৌঁছলেন শান্তিনিকেতনে রবিঠাকুরের কাছে। গুরুদেব ব্যস্ত ছিলেন তখন। বললেন, খাতাটা রেখে যেতে। পরদিন যেতেই, এই লেখা সমেত খাতা ফেরত এল। লেখার নীচের তারিখে, বাংলা সালটা তেরোশো ছত্রিশ অর্থাৎ ইংরাজি উনিশশো উনত্রিশ সাল। অর্থাৎ রবিবাবুর নোবেল পাওয়ার ঠিক ষোলো বছর পর। তখন সত্যজিতের বয়স মাত্র আট!

লখনউ থেকে মেটেবুরুজ হয়ে চাঁদনি চক

Image
ছোটবেলা থেকে সবাই শুনে আসছি, মিথ্যে কথা বলতে নেই। তবুও বিপাকে পড়ে সবাইকেই মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়। কিন্তু দিনে দুপুরে গুচ্ছের মিথ্যে কথা বলতে পারে যারা, তারা সব নানারকম লাল নীল হলুদ সবুজ রাজনৈতিক দলের নেতা। এবছর কলকাতায় গরম পড়েছে বেজায়! গরমের চোটে, একটু বেলা বাড়তে না বাড়তেই রাস্তার কুকুরগুলো লুকিয়ে পড়ছে ছায়া খুঁজে। ধুনুরিরা বেরোচ্ছে না  তুলো ধুনতে। বিহারী রিকশা ওয়ালা দুপুর হতেই ডেলা করে মাখা ছাতু খেয়ে গা এলিয়ে দিচ্ছে ছায়াতে। আর লোকসভা ভোটের দৌলতে সেসব হলদে সবুজ ওরাং ওটাঙের দল এই গরমে মাইক বাজিয়ে চেঁচামেচি শুরু করেছে। এইরকম গরমের দুপুরবেলা ঘরে বসে নেতাদের চেঁচামেচির চোটে বসে মন দিয়ে কাজ করার জো নেই। অগত্যা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়াই সমীচীন বলে মনে হল। রাস্তা সম্পূর্ণ শুনশান। সূর্যের তেজ আমার কালো ছাতা ভেদ করে ঝলসে দিচ্ছে চামড়া। বউবাজার পার হয়ে একটা গলির ছায়া ধরে হাঁটতে হাঁটতে ওয়েলিংটন স্কোয়ারে পৌঁছে গেলাম। রাস্তায় গঙ্গাজলের কল থেকে আগ্নেয়গিরির মত হুড়োহুড়ি করে জল বেরিয়ে আসছে। সেদিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকলে ঘোর লেগে যায়। একটা কাক সেই জলে কখনও ঠোঁট দিয়ে জল তুলে, কখনো মাথা ডুবিয়ে নানান কায়দায় চ...